হাঙ্গেরীয় চিকিৎসক ও শল্যচিকিৎসক এন্ড্রে মেস্টারকে স্বল্প ক্ষমতার লেজারের জৈবিক প্রভাব আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়, যা ১৯৬০ সালে রুবি লেজার এবং ১৯৬১ সালে হিলিয়াম-নিয়ন (HeNe) লেজার আবিষ্কারের কয়েক বছর পরে ঘটেছিল।
মেস্টার ১৯৭৪ সালে বুদাপেস্টের সেমেলভাইস মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে লেজার গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং জীবনের বাকি সময় সেখানেই কাজ করে যান। তাঁর সন্তানেরা তাঁর কাজকে এগিয়ে নিয়ে যান এবং তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসেন।
১৯৮৭ সাল নাগাদ লেজার বিক্রেতা সংস্থাগুলো দাবি করত যে, এটি দিয়ে ব্যথা নিরাময় করা, খেলাধুলার আঘাত দ্রুত সারানো এবং আরও অনেক কিছু করা সম্ভব, কিন্তু সেই সময়ে এর সপক্ষে তেমন কোনো প্রমাণ ছিল না।
মেস্টার মূলত এই পদ্ধতিকে “লেজার বায়োস্টিমুলেশন” নাম দিয়েছিলেন, কিন্তু শীঘ্রই এটি “লো-লেভেল লেজার থেরাপি” বা “রেড লাইট থেরাপি” নামে পরিচিতি লাভ করে। এই পদ্ধতি নিয়ে গবেষণাকারীরা লাইট-এমিটিং ডায়োড ব্যবহার শুরু করলে, এটি “লো-লেভেল লাইট থেরাপি” নামে পরিচিতি পায় এবং “লো লেভেল” শব্দটির সঠিক অর্থ নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসনের জন্য “ফটোবায়োমোডুলেশন” পরিভাষাটির উদ্ভব হয়।
