২০১৬ সালে ব্রাজিলীয় গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত একটি পর্যালোচনা ও মেটা-বিশ্লেষণে, পেশীর কর্মক্ষমতা এবং সামগ্রিক ব্যায়ামের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আলোক চিকিৎসার কার্যকারিতা বিষয়ক বিদ্যমান সমস্ত গবেষণা খতিয়ে দেখা হয়। এতে ২৯৭ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে করা ষোলটি গবেষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
ব্যায়ামের সক্ষমতার পরামিতিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল পুনরাবৃত্তির সংখ্যা, ক্লান্ত হওয়া পর্যন্ত সময়, রক্তে ল্যাকটেটের ঘনত্ব এবং ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের সক্রিয়তা।
পেশীর কর্মক্ষমতার মাপকাঠিগুলোর মধ্যে ছিল টর্ক, পাওয়ার এবং শক্তি।
