ট্যানিং বেডে বিশেষ বাতি ব্যবহার করা হয় যা নির্গত করেঅতিবেগুনি (UV) আলোযা ত্বককে মেলানিন তৈরি করতে উদ্দীপিত করে — এই রঞ্জক পদার্থটিই ত্বকের রঙ তামাটে হওয়ার জন্য দায়ী। এর সাথে জড়িত প্রধান ধরনের অতিবেগুনি রশ্মিগুলো হলো:
-
ইউভিএ রশ্মি (৩১৫-৪০০ এনএম):
-
এগুলো ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে।
-
তাৎক্ষণিক ট্যানিং প্রভাবের বেশিরভাগের জন্য দায়ী।
-
অতিরিক্ত সংস্পর্শে ত্বকের অকাল বার্ধক্য দেখা দিতে পারে এবং ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
-
-
ইউভিবি রশ্মি (২৮০–৩১৫ এনএম):
-
ত্বকের বাইরের স্তরকে প্রভাবিত করে।
-
মেলানিন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে দীর্ঘস্থায়ী ট্যান তৈরিতে সাহায্য করে।
-
অতিরিক্ত সংস্পর্শে এলে সানবার্ন এবং ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
-
ট্যানিং বেডে ইউভি অনুপাত:
বেশিরভাগ আধুনিক ট্যানিং বেডে প্রায় একটি সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।৯৫% ইউভিএ এবং ৫% ইউভিবিতবে, বিছানার নকশা এবং স্থানীয় নিয়মকানুনের উপর নির্ভর করে সঠিক অনুপাতটি ভিন্ন হতে পারে।
নিরাপত্তা টিপস:
-
সর্বদা প্রস্তুতকারকের সুপারিশকৃত সংস্পর্শের সময়কাল অনুসরণ করুন।
-
অতিবেগুনি রশ্মিজনিত চোখের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সুরক্ষামূলক চশমা পরুন।
-
আপনার ত্বক সংবেদনশীল হলে বা ত্বকের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে ট্যানিং বেড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
সারকথা:
ট্যানিং বেড ত্বকে ট্যান তৈরি করতে ইউভিএ এবং ইউভিবি উভয় প্রকার আলোই ব্যবহার করে, কিন্তু ভুলভাবে ব্যবহার করলে উভয় প্রকার আলোই আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। নিরাপদ ব্যবহারের জন্য পরিমিত ব্যবহার এবং সুরক্ষা অপরিহার্য।
